স্কুলে যাচ্ছে অবহেলিত সোনালী মারমা, পেয়েছে জন্ম নিবন্ধনও

মো. রবিউল হোসেন, মানিকছড়ি:-
জন্মনিবন্ধন ও দরিদ্রতার কারনে স্কুলে ভর্তি হতে না পারা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার এয়াতলংপাড়ার স্কুল পড়ুয়া সোনালী মারমা এখন নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা তৈরী হয়েছে মা ম্রাসাউ মারমা ও ছোট বোন রূপালী মারমার জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সনদপত্র।

রবিবার (১২ মার্চ) সকাল ১০টায় তৈরীকৃত জন্মনিবন্ধন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে সোনালী মারমার স্কুল ড্রেস ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে প্রদান করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হানিফ। পাশাপাশি তার (সোনালী মারমার) পড়াশোনার সকল ব্যবস্থা করায় নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে সোনালী মারমা।
সাময়িক সহায়তা নয়, সরকারিভাবে দীর্ঘস্থায়ী সহয়োগি পাওয়ার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আরও আন্তরিক হওয়ার অনুরোধ জানান স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে এয়াতলংপাড়া বটতল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুকু চৌধুরী বলেন, সোনালী মারমাকে স্কুলে ভর্তি করানো হয়েছে। বিদ্যালয় যথা সম্ভব সহযোগিতা করা হচ্ছে। তার মতো সমাজের এইসব অসহায়-সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাড়ানোর উচিৎ।
ইউপি সদস্য মো. হানিফ মিয়া জানান, সোনালী মারমার পরিবারের কারও জন্ম নিবন্ধন বা কোন প্রকার নাগরিক সনদপত্রও ছিলো না। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সকলের জন্ম সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সোনালী মারমা ও তার ছোট বোন রুপালী মারমার পড়াশোনার দায়িত্বও তিনি নিয়েছেন বলে জানান।
সম্প্রতি পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হতে না পারা সোনালী মারমা নামে পিতৃহীন ঐ শিক্ষার্থীর পরিবারের দরিদ্রতা ও মানবেতর জীবন-যাপনের চিত্র সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসার পর সোনালী মারমার পরিবারের পাশে দাড়ায় উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

