ভ্রমণ

ভোলায় বেড়াতে যাবেন? জেনে নিন ঘোরাঘুরি আর থাকা-খাওয়ার খুঁটিনাটি

চর কুকরিমুকরিতে আছে বার্ড ওয়াচ টাওয়ার। চরফ্যাশন থেকে বাস, মাইক্রো কিংবা মোটরসাইকেলে আপনাকে যেতে হবে কচ্ছপিয়া ঘাট। সেখান থেকে ট্রলার, স্পিডবোট কিংবা লাইনের লঞ্চে আপনি চর কুকরিমুকরির শ্বাসমূলীয় বনে যেতে পারেন। এই বনে হরিণ ছাড়াও নানা রকম বন্য প্রাণী এবং নদীতে ভোঁদড় দেখতে পাবেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয়, ডিঙি ভাড়া নিয়ে জোয়ারের সময় বনের ভেতরের খাল পরিদর্শন করা। সেই যাত্রায় সুন্দরবন ভ্রমণের আবহটা পেয়ে যাবেন।চর কুকরিমুকরিতে আছে বন বিভাগের রেস্টহাউস। ভাড়া পড়বে ফ্যামিলি কেবিন ২ হাজার আর ভিআইপি কেবিন ৫ হাজার টাকা। আর আছে হোম স্টে সেবা, যেখানে সিঙ্গেল বেড ৩০০ টাকা।চর কুকরিমুকরি থেকেই আপনি আরও দক্ষিণের ঢালচর যেতে পারেন। ঢালচরেই আছে তাড়ুয়া সি-বিচ। নদীপথে, সবুজ বনের খালের দুই পাশে আপনার সঙ্গী হবে নানা রকম হাঁস, বক, পানকৌড়ি, হটটিটি আর মাছরাঙা।শীতে সাগর মোহনা আর মেঘনা-তেঁতুলিয়ার পানি শান্ত, স্বচ্ছ। হাত ডোবালে হাতের রেখা দেখা যায়। এই নীল জলের বুকে পড়ে ঝিলিক মারে রাতের চাঁদ, দিনের সূর্য। কিছু দূর যেতে না যেতে সবুজ দ্বীপ। দক্ষিণে ভোলাকে ঘিরে আছে এসব সবুজের দ্বীপ।

Leave a Reply

Back to top button