রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

সরে যেতে হলো আল্লামা শফীকেও

Reporter Name
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৩৩

ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে পুত্রের পর এবার সরে যেতে হলো হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফিকে। বৃহস্পতিবার রাতে মজলিসে শুরার সদস্যদের কাছে মাদ্রাসা পরিচালনার ভার অর্পণ করে হাটহাজারী মাদ্রাসার ‘মুহতামিম’ পদ হতে পদত্যাগ করেন তিনি। পদত্যাগের পর শুরা কমিটি তাকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ করে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদ্রাসার শুরা কমিটির সদস্যদের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। শুরার সদস্যদের বৈঠক শেষে সিদ্ধান্তগুলো ঘোষণা করেন শূরা সদস্য মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী।

তিনি আরও জানান, মাওলানা আনাস মাদানী সাহেবকে স্থায়ী বহিষ্কার এবংমাওলানা নুরুল ইসলাম কক্সবাজারিকে মাদ্রাসার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী মুহতামিম নির্ধারণের দায়িত্ব শূরা কমিটিকে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার জোহরের নামাজের পর থেকে আনাস মাদানীকে বহিষ্কারসহ কয়েকদফা দাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাটহাজারী মাদ্রাসার সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাদ্রাসাটি যেহেতু সরকারি নয়— সেজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন ঘোষণা দেওয়ার এখতিয়ার নেই জানিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন। রাত পৌনে আটটার দিকে মাদ্রাসার মসজিদের মাইক থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
মাইকে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমাদের মাদ্রাসা সরকারি নয়। তাই এই মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত সরকার দিতে পারে না। আমরা এ আদেশ মানি না। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।’

মাদ্রাসা ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত মাদ্রাসার উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছয় সদস্যের শুরা সদস্যের উপস্থিতিতে ও মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘন্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন আল্লামা আহমদ শফী। বৈঠকের পর মাদ্রাসার বড় মসজিদের মাইক থেকে ছাত্রদের দাবি আদায়ের বিষয়গুলো মাইকিং করা হয়।

এদিকে শুরা বৈঠকের পর পরই আহমদ শফীকে মাদ্রাসা থেকে বের করে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়

Share This Post

আরও পড়ুন